দৈনিক রুপায়াণ

অপপ্রচারের অন্ধকার ভেদ করে এগিয়ে চলেছেন রেলের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন

অপপ্রচারের অন্ধকার ভেদ করে এগিয়ে চলেছেন রেলের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন

বাংলাদেশ রেলওয়েকে আধুনিক, গতিশীল ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে যখন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন আফজাল হোসেন, ঠিক তখনই তাকে ঘিরে শুরু হয়েছে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার, কুৎসা ও ষড়যন্ত্র। রেলওয়ের অভ্যন্তরে শুদ্ধি অভিযান, অনিয়মবিরোধী অবস্থান এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে কঠোর মনিটরিংয়ের কারণেই একটি সুবিধাভোগী সিন্ডিকেট তার বিরুদ্ধে সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রেল সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে রেলওয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তা, ঠিকাদার ও দালালচক্র অবাধ সুবিধা ভোগ করলেও বর্তমান মহাপরিচালকের কঠোর অবস্থানের কারণে তাদের সেই ‘স্বর্ণযুগে’ ভাটা পড়েছে। আর সেখান থেকেই জন্ম নিয়েছে ক্ষোভ, প্রতিহিংসা ও চরিত্রহননের অপচেষ্টা।

সাম্প্রতিক সময়ে সাবেক কর্মকর্তা রমজান আলী যেসব অভিযোগ সামনে এনেছেন, সেগুলোকে রেলওয়ের বিভিন্ন মহল “অবাস্তব”, “মনগড়া” ও “ব্যক্তিগত আক্রোশপ্রসূত” বলেই অভিহিত করছে। অভিযোগের ভাষা যতটা উত্তেজনাপূর্ণ, তথ্যভিত্তিক ভিত্তি ততটাই দুর্বল  এমন মন্তব্যও এসেছে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে।

রেলওয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “মহাপরিচালক আফজাল হোসেন একজন কর্মমুখী ও কঠোর প্রশাসক। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে রেলের বিভিন্ন স্তরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। এতে একটি দুর্নীতিবাজ গোষ্ঠীর স্বার্থে আঘাত লেগেছে। তাই তাকে সামাজিক ও প্রশাসনিকভাবে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চলছে।”

রেলওয়ের চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে গতি ফিরিয়ে আনা, প্রকল্প বাস্তবায়নে সমন্বয় বৃদ্ধি, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং যাত্রীসেবায় আধুনিকায়নের উদ্যোগের কারণে ইতোমধ্যেই প্রশংসা কুড়িয়েছেন মহাপরিচালক আফজাল হোসেন। বিশেষ করে অবহেলিত রেলখাতে প্রশাসনিক গতি সঞ্চারে তার ভূমিকা অনেকেই ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরেই রেলওয়েকে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করেছে। কিন্তু বর্তমান মহাপরিচালক দায়িত্ব নেওয়ার পর সেই অস্বচ্ছ বলয়ের ভেতর চাপ তৈরি হয়েছে। ফলে এখন ব্যক্তিগত স্বার্থ রক্ষায় কিছু মহল অভিযোগকে হাতিয়ার বানিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর পথ বেছে নিয়েছে।

রেলপথ মন্ত্রণালয় ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলোর দাবি, বড় বড় অবকাঠামোগত প্রকল্পে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চাপ সামলে কাজ করা সহজ নয়। তারপরও নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আফজাল হোসেন পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করে যাচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর অধিকাংশই এখনো প্রমাণিত নয়, বরং সেগুলো নিয়ে অতিরঞ্জিত প্রচারণাই বেশি দেখা যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক রুপায়াণ

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬


অপপ্রচারের অন্ধকার ভেদ করে এগিয়ে চলেছেন রেলের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন

প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬

featured Image
বাংলাদেশ রেলওয়েকে আধুনিক, গতিশীল ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে যখন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন আফজাল হোসেন, ঠিক তখনই তাকে ঘিরে শুরু হয়েছে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার, কুৎসা ও ষড়যন্ত্র। রেলওয়ের অভ্যন্তরে শুদ্ধি অভিযান, অনিয়মবিরোধী অবস্থান এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে কঠোর মনিটরিংয়ের কারণেই একটি সুবিধাভোগী সিন্ডিকেট তার বিরুদ্ধে সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।রেল সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে রেলওয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তা, ঠিকাদার ও দালালচক্র অবাধ সুবিধা ভোগ করলেও বর্তমান মহাপরিচালকের কঠোর অবস্থানের কারণে তাদের সেই ‘স্বর্ণযুগে’ ভাটা পড়েছে। আর সেখান থেকেই জন্ম নিয়েছে ক্ষোভ, প্রতিহিংসা ও চরিত্রহননের অপচেষ্টা।সাম্প্রতিক সময়ে সাবেক কর্মকর্তা রমজান আলী যেসব অভিযোগ সামনে এনেছেন, সেগুলোকে রেলওয়ের বিভিন্ন মহল “অবাস্তব”, “মনগড়া” ও “ব্যক্তিগত আক্রোশপ্রসূত” বলেই অভিহিত করছে। অভিযোগের ভাষা যতটা উত্তেজনাপূর্ণ, তথ্যভিত্তিক ভিত্তি ততটাই দুর্বল  এমন মন্তব্যও এসেছে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে।রেলওয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “মহাপরিচালক আফজাল হোসেন একজন কর্মমুখী ও কঠোর প্রশাসক। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে রেলের বিভিন্ন স্তরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। এতে একটি দুর্নীতিবাজ গোষ্ঠীর স্বার্থে আঘাত লেগেছে। তাই তাকে সামাজিক ও প্রশাসনিকভাবে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চলছে।”রেলওয়ের চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে গতি ফিরিয়ে আনা, প্রকল্প বাস্তবায়নে সমন্বয় বৃদ্ধি, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং যাত্রীসেবায় আধুনিকায়নের উদ্যোগের কারণে ইতোমধ্যেই প্রশংসা কুড়িয়েছেন মহাপরিচালক আফজাল হোসেন। বিশেষ করে অবহেলিত রেলখাতে প্রশাসনিক গতি সঞ্চারে তার ভূমিকা অনেকেই ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরেই রেলওয়েকে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করেছে। কিন্তু বর্তমান মহাপরিচালক দায়িত্ব নেওয়ার পর সেই অস্বচ্ছ বলয়ের ভেতর চাপ তৈরি হয়েছে। ফলে এখন ব্যক্তিগত স্বার্থ রক্ষায় কিছু মহল অভিযোগকে হাতিয়ার বানিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর পথ বেছে নিয়েছে।রেলপথ মন্ত্রণালয় ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলোর দাবি, বড় বড় অবকাঠামোগত প্রকল্পে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চাপ সামলে কাজ করা সহজ নয়। তারপরও নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আফজাল হোসেন পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করে যাচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর অধিকাংশই এখনো প্রমাণিত নয়, বরং সেগুলো নিয়ে অতিরঞ্জিত প্রচারণাই বেশি দেখা যাচ্ছে।

দৈনিক রুপায়াণ

প্রকাশক ও সম্পাদক: মোঃ মোনায়েম
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ১২০ ডিআইটি এভিনিউ ,আলম টাওয়ার (৮ম তলা), ঢাকা-১০০০
 ই-মেইল: dainikrupayan@gmail.com
ওয়েবসাইট: www.dainikrupayan.com

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক রুপায়ণ