দৈনিক রুপায়াণ

কাস্টমস কর্মকর্তা সাবরিনা আমিনের বিরুদ্ধে মনগড়া অভিযোগ

কাস্টমস কর্মকর্তা সাবরিনা আমিনের বিরুদ্ধে মনগড়া অভিযোগ

মিথ্যার পালতোলা নৌকা যতই বেপরোয়া বেগে ছুটুক না কেন, জোয়ারের ঘূর্ণিপাকে তা একদিন ভাঙা কাছিমের খোলার মতোই তলিয়ে যেতে বাধ্য। পক্ষান্তরে সত্য চিরকালই ধীর পায়ে, শান্ত পদক্ষেপে হলেও স্বীয় মহিমায় উদ্ভাসিত হয়। চারপাশের কুয়াশাচ্ছন্ন ব্যক্তিগত আক্রোশের রোষানলে যখন সত্যকে চিরতরে গিলে খাওয়ার আদিম উৎসব চলে, ঠিক তখনই প্রজ্ঞাবান ও সজাগ মানুষের চোখে ধরা পড়ে আসল কুশীলবদের মুখোস। সাম্প্রতিক সময়ে ৩১তম বিসিএস (কাস্টমস ক্যাডার) তেজগাঁও বিভাগের সুযোগ্য উপ-কমিশনার সাবরিনা আমিন-এর বিরুদ্ধে কিছু স্বার্থান্বেষী মহলের ছড়ানো বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের প্রাসাদ মুহূর্তেই তাসের ঘরের মতো হুড়মুড় করে ধসে পড়েছে। একটু গভীরে চোখ বুলিয়ে তলিয়ে দেখলেই দিবালোকের মতো স্পষ্ট হয়ে যায় যে, ক্ষমতার পালাবদলের উত্তাল হাওয়াকে পুঁজি করে একশ্রেণির লোভাতুর কুচক্রী মহল নিজেদের হীন স্বার্থ উদ্ধারে এবং এই মেধাবী কর্মকর্তার সুপ্রতিষ্ঠিত সুনাম চিরতরে ধূসর করতে মাঠে নেমেছে।

সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার অনলাইনে "ডেপুটি কমিশনার সাবরিনার নামে-বেনামে সম্পদের পাহাড়" শিরোনামে যে আকাশচুম্বী সম্পত্তি ও ফ্ল্যাট-প্লটের মনগড়া গল্প ফেঁদে জনমনে ধোঁয়াশা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালানো হয়েছে, তার মূলে রয়েছে চরম অসততা ও অন্ধ অজ্ঞতা। সাবরিনা আমিনের পরিবার কোনো রাতারাতি গজিয়ে ওঠা উল্কি বা আকস্মিক ধনাঢ্য হওয়া সৌভাগ্যবান নয়; বরং তাদের রয়েছে সুদীর্ঘকালের সুপ্রতিষ্ঠিত ও গৌরবময় ব্যবসায়িক ঐতিহ্য। সুপরিচিত ‘আরাম নারিকেল তেল’ কোম্পানির অবিচ্ছেদ্য উত্তরাধিকার এবং রিয়েল এস্টেট ও বাণিজ্য জগতের সুদৃঢ় নেটওয়ার্ক তাদের পারিবারিক অর্জনের সোনালী ইতিহাস বহন করে। যেসব ফ্ল্যাট বা আবাসন প্রকল্পের কথা অতি-অতিরঞ্জিত করে চাউর করা হচ্ছে, তা কোনো অবৈধ উপায়ে রাতারাতি গিলে খাওয়া একক সম্পত্তি নয়। এগুলো মূলত পারিবারিক ও ব্যবসায়িক ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের অধীনে মূল ভূ-মালিকদের সঙ্গে সম্পাদিত অত্যন্ত স্বচ্ছ, মার্জিত ও আইনসম্মত চুক্তি এবং যৌথ উদ্যোগের (Joint Venture) অংশমাত্র। বৈধ ব্যবসা আর বংশপরম্পরায় পাওয়া পারিবারিক অর্জনের এই সহজ ও সরল সমীকরণকে ইচ্ছাকৃতভাবে গুলিয়ে দিয়ে কুচক্রীরা সাধারণ মানুষের মনে বিভ্রান্তির বিষবাষ্প ছড়ানোর ধৃষ্টতা দেখিয়েছে।

অনুসন্ধিৎসু দৃষ্টিতে আরও যে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে, তা হলো, সাম্প্রতিক সময়ে সাবরিনার পারিবারিক মালিকানাধীন একটি স্বনামধন্য শিল্প প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা নিয়ে খোদ ব্যবসায়িক অংশীদার বা পার্টনারদের অন্দরেই চরম অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও জটিলতার সূত্রপাত ঘটে। অভিযোগের বিশ্বস্ত তীর বলছে, সেই বিক্ষুব্ধ, কোণঠাসা ও স্বার্থান্বেষী পার্টনাররাই নিজেদের ব্যবসায়িক ব্যর্থতা ও অনিয়ম ঢাকতে এবং প্রতিপক্ষকে চিরতরে ঘায়েল করতে গণমাধ্যমের কাঁধে বন্দুক রেখে ফায়দা লোটার পাঁয়তারা করেছে। বানোয়াট তথ্যের এই জগাখিচুড়ি বরমাল্য পরিয়ে তারা জনসমক্ষে মিথ্যের এক সুবিশাল পাহাড় তৈরি করেছে, যার সঙ্গে সাবরিনা আমিনের পেশাগত জীবনের দূরতম কোনো সম্পর্কও নেই। সরকারি খাতার লাল ফিতায় বাঁধা সিলমোহর ও সততার কলমে দায়িত্ব পালনকারী এই কর্মকর্তার ঈর্ষণীয় সুনাম ক্ষুণ্ণ করতে ভুয়া মেশিন আমদানি বা ব্যাংক লুণ্ঠনের মতো হাস্যকর ও থ্রিলারধর্মী কাল্পনিক চিত্রনাট্য মঞ্চস্থ করা হয়েছে।

জানা যায়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক প্রভাবশালী চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খানের শাসনামলে সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি) কর্তৃক এনবিআরের একাধিক কর্মকর্তার ট্যাক্স ফাইল অত্যন্ত নিবিড় ও কঠোরভাবে অডিট ও পরীক্ষা করা হয়েছিল। সেই নিশ্ছিদ্র কষ্টিপাথরে সাবরিনা আমিনের আয়কর ফাইল ও সম্পদের বিবরণী চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হয়। বিস্ময়কর হলেও ধ্রুব সত্য যে, সেই কঠোর ও নির্মম তদন্তের মুখেও তাঁর নথিপত্রে বিন্দুমাত্র অসংগতি, গোপনীয়তা বা অসচ্ছতার লেশমাত্র খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাঁর অর্জিত প্রতিটি পাইপয়সার নিখুঁত হিসাব আইনগতভাবে ট্যাক্স ফাইলের পাতায় ঝকঝক করছে ঠিক স্বচ্ছ আয়নার মতো। যেখানে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ গোয়েন্দা ও নিরীক্ষা সেল সততার সার্টিফিকেট দিয়েছে, সেখানে চুনোপুঁটিদের অপপ্রচার কেবল পিত্তজ্বলা ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ।

শুধু তাই নয়,  প্রতিবেদনে কাস্টমস কর্মকর্তা একেএম নূরুজ্জামানের সঙ্গে সাবরিনা আমিনের নাম জড়িয়ে যে নাটকীয় কাহিনি সাজানো হয়েছে, তা কেবল হাস্যকরই নয়, বরং যেকোনো সস্তা ড্রামা বা কাল্পনিক উপন্যাসের প্লটকেও হার মানায়। বাস্তবের রুক্ষ মাটিতে দাঁড়িয়ে নূরুজ্জামানের সঙ্গে সাবরিনা আমিনের দূরতম কোনো পেশাগত যোগসূত্র, টেবিল বা লেনদেনের রেকর্ডই নেই। ধামরাইয়ের জমি কেনাবেচা বা অর্থ আদায়ের আদ্যোপান্ত গল্পটি নিছক একটি মনগড়া রূপকথা, যা পাঠকের সহানুভূতি অর্জন ও বিভ্রান্ত করার সস্তা হাতিয়ার ছাড়া আর কিছুই নয়। তা ছাড়া, তাঁর স্বামী মো: বশির মিয়া খাদেম বা পরিবারের অন্যান্য সম্মানিত সদস্যদের স্বোপার্জিত সাফল্য নিয়ে যে কুরুচিপূর্ণ কুৎসা রটানো হয়েছে, তা কেবল একটি মার্জিত পারিবারিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করার গভীর ষড়যন্ত্র। একজন সৎ, মেধাবী, আপসহীন ও কর্মনিষ্ঠ নারী সরকারি কর্মকর্তার সুউচ্চ ক্যারিয়ার ধ্বংস করার এই অপপ্রয়াস মূলত একশ্রেণির ঈর্ষাকাতর মানুষের নৈতিক স্খলনের চূড়ান্ত রূপ। ট্যাক্স ফাইলের প্রতিটি বাঁকে ও বিন্দুতে স্বচ্ছতার সোনালী আলো বজায় রেখে যিনি তিল তিল করে নিজের পেশাগত সততা ও মর্যাদা গড়ে তুলেছেন, তাঁর বুক ভেদ করে এমন কাদা ছোঁড়াছুড়ি বড্ড বেমানান, বড্ড অবাস্তব। 

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক রুপায়াণ

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬


কাস্টমস কর্মকর্তা সাবরিনা আমিনের বিরুদ্ধে মনগড়া অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬

featured Image
মিথ্যার পালতোলা নৌকা যতই বেপরোয়া বেগে ছুটুক না কেন, জোয়ারের ঘূর্ণিপাকে তা একদিন ভাঙা কাছিমের খোলার মতোই তলিয়ে যেতে বাধ্য। পক্ষান্তরে সত্য চিরকালই ধীর পায়ে, শান্ত পদক্ষেপে হলেও স্বীয় মহিমায় উদ্ভাসিত হয়। চারপাশের কুয়াশাচ্ছন্ন ব্যক্তিগত আক্রোশের রোষানলে যখন সত্যকে চিরতরে গিলে খাওয়ার আদিম উৎসব চলে, ঠিক তখনই প্রজ্ঞাবান ও সজাগ মানুষের চোখে ধরা পড়ে আসল কুশীলবদের মুখোস। সাম্প্রতিক সময়ে ৩১তম বিসিএস (কাস্টমস ক্যাডার) তেজগাঁও বিভাগের সুযোগ্য উপ-কমিশনার সাবরিনা আমিন-এর বিরুদ্ধে কিছু স্বার্থান্বেষী মহলের ছড়ানো বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের প্রাসাদ মুহূর্তেই তাসের ঘরের মতো হুড়মুড় করে ধসে পড়েছে। একটু গভীরে চোখ বুলিয়ে তলিয়ে দেখলেই দিবালোকের মতো স্পষ্ট হয়ে যায় যে, ক্ষমতার পালাবদলের উত্তাল হাওয়াকে পুঁজি করে একশ্রেণির লোভাতুর কুচক্রী মহল নিজেদের হীন স্বার্থ উদ্ধারে এবং এই মেধাবী কর্মকর্তার সুপ্রতিষ্ঠিত সুনাম চিরতরে ধূসর করতে মাঠে নেমেছে।সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার অনলাইনে "ডেপুটি কমিশনার সাবরিনার নামে-বেনামে সম্পদের পাহাড়" শিরোনামে যে আকাশচুম্বী সম্পত্তি ও ফ্ল্যাট-প্লটের মনগড়া গল্প ফেঁদে জনমনে ধোঁয়াশা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালানো হয়েছে, তার মূলে রয়েছে চরম অসততা ও অন্ধ অজ্ঞতা। সাবরিনা আমিনের পরিবার কোনো রাতারাতি গজিয়ে ওঠা উল্কি বা আকস্মিক ধনাঢ্য হওয়া সৌভাগ্যবান নয়; বরং তাদের রয়েছে সুদীর্ঘকালের সুপ্রতিষ্ঠিত ও গৌরবময় ব্যবসায়িক ঐতিহ্য। সুপরিচিত ‘আরাম নারিকেল তেল’ কোম্পানির অবিচ্ছেদ্য উত্তরাধিকার এবং রিয়েল এস্টেট ও বাণিজ্য জগতের সুদৃঢ় নেটওয়ার্ক তাদের পারিবারিক অর্জনের সোনালী ইতিহাস বহন করে। যেসব ফ্ল্যাট বা আবাসন প্রকল্পের কথা অতি-অতিরঞ্জিত করে চাউর করা হচ্ছে, তা কোনো অবৈধ উপায়ে রাতারাতি গিলে খাওয়া একক সম্পত্তি নয়। এগুলো মূলত পারিবারিক ও ব্যবসায়িক ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের অধীনে মূল ভূ-মালিকদের সঙ্গে সম্পাদিত অত্যন্ত স্বচ্ছ, মার্জিত ও আইনসম্মত চুক্তি এবং যৌথ উদ্যোগের (Joint Venture) অংশমাত্র। বৈধ ব্যবসা আর বংশপরম্পরায় পাওয়া পারিবারিক অর্জনের এই সহজ ও সরল সমীকরণকে ইচ্ছাকৃতভাবে গুলিয়ে দিয়ে কুচক্রীরা সাধারণ মানুষের মনে বিভ্রান্তির বিষবাষ্প ছড়ানোর ধৃষ্টতা দেখিয়েছে।অনুসন্ধিৎসু দৃষ্টিতে আরও যে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে, তা হলো, সাম্প্রতিক সময়ে সাবরিনার পারিবারিক মালিকানাধীন একটি স্বনামধন্য শিল্প প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা নিয়ে খোদ ব্যবসায়িক অংশীদার বা পার্টনারদের অন্দরেই চরম অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও জটিলতার সূত্রপাত ঘটে। অভিযোগের বিশ্বস্ত তীর বলছে, সেই বিক্ষুব্ধ, কোণঠাসা ও স্বার্থান্বেষী পার্টনাররাই নিজেদের ব্যবসায়িক ব্যর্থতা ও অনিয়ম ঢাকতে এবং প্রতিপক্ষকে চিরতরে ঘায়েল করতে গণমাধ্যমের কাঁধে বন্দুক রেখে ফায়দা লোটার পাঁয়তারা করেছে। বানোয়াট তথ্যের এই জগাখিচুড়ি বরমাল্য পরিয়ে তারা জনসমক্ষে মিথ্যের এক সুবিশাল পাহাড় তৈরি করেছে, যার সঙ্গে সাবরিনা আমিনের পেশাগত জীবনের দূরতম কোনো সম্পর্কও নেই। সরকারি খাতার লাল ফিতায় বাঁধা সিলমোহর ও সততার কলমে দায়িত্ব পালনকারী এই কর্মকর্তার ঈর্ষণীয় সুনাম ক্ষুণ্ণ করতে ভুয়া মেশিন আমদানি বা ব্যাংক লুণ্ঠনের মতো হাস্যকর ও থ্রিলারধর্মী কাল্পনিক চিত্রনাট্য মঞ্চস্থ করা হয়েছে।জানা যায়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক প্রভাবশালী চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খানের শাসনামলে সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি) কর্তৃক এনবিআরের একাধিক কর্মকর্তার ট্যাক্স ফাইল অত্যন্ত নিবিড় ও কঠোরভাবে অডিট ও পরীক্ষা করা হয়েছিল। সেই নিশ্ছিদ্র কষ্টিপাথরে সাবরিনা আমিনের আয়কর ফাইল ও সম্পদের বিবরণী চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হয়। বিস্ময়কর হলেও ধ্রুব সত্য যে, সেই কঠোর ও নির্মম তদন্তের মুখেও তাঁর নথিপত্রে বিন্দুমাত্র অসংগতি, গোপনীয়তা বা অসচ্ছতার লেশমাত্র খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাঁর অর্জিত প্রতিটি পাইপয়সার নিখুঁত হিসাব আইনগতভাবে ট্যাক্স ফাইলের পাতায় ঝকঝক করছে ঠিক স্বচ্ছ আয়নার মতো। যেখানে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ গোয়েন্দা ও নিরীক্ষা সেল সততার সার্টিফিকেট দিয়েছে, সেখানে চুনোপুঁটিদের অপপ্রচার কেবল পিত্তজ্বলা ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ।শুধু তাই নয়,  প্রতিবেদনে কাস্টমস কর্মকর্তা একেএম নূরুজ্জামানের সঙ্গে সাবরিনা আমিনের নাম জড়িয়ে যে নাটকীয় কাহিনি সাজানো হয়েছে, তা কেবল হাস্যকরই নয়, বরং যেকোনো সস্তা ড্রামা বা কাল্পনিক উপন্যাসের প্লটকেও হার মানায়। বাস্তবের রুক্ষ মাটিতে দাঁড়িয়ে নূরুজ্জামানের সঙ্গে সাবরিনা আমিনের দূরতম কোনো পেশাগত যোগসূত্র, টেবিল বা লেনদেনের রেকর্ডই নেই। ধামরাইয়ের জমি কেনাবেচা বা অর্থ আদায়ের আদ্যোপান্ত গল্পটি নিছক একটি মনগড়া রূপকথা, যা পাঠকের সহানুভূতি অর্জন ও বিভ্রান্ত করার সস্তা হাতিয়ার ছাড়া আর কিছুই নয়। তা ছাড়া, তাঁর স্বামী মো: বশির মিয়া খাদেম বা পরিবারের অন্যান্য সম্মানিত সদস্যদের স্বোপার্জিত সাফল্য নিয়ে যে কুরুচিপূর্ণ কুৎসা রটানো হয়েছে, তা কেবল একটি মার্জিত পারিবারিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করার গভীর ষড়যন্ত্র। একজন সৎ, মেধাবী, আপসহীন ও কর্মনিষ্ঠ নারী সরকারি কর্মকর্তার সুউচ্চ ক্যারিয়ার ধ্বংস করার এই অপপ্রয়াস মূলত একশ্রেণির ঈর্ষাকাতর মানুষের নৈতিক স্খলনের চূড়ান্ত রূপ। ট্যাক্স ফাইলের প্রতিটি বাঁকে ও বিন্দুতে স্বচ্ছতার সোনালী আলো বজায় রেখে যিনি তিল তিল করে নিজের পেশাগত সততা ও মর্যাদা গড়ে তুলেছেন, তাঁর বুক ভেদ করে এমন কাদা ছোঁড়াছুড়ি বড্ড বেমানান, বড্ড অবাস্তব। 

দৈনিক রুপায়াণ

প্রকাশক ও সম্পাদক: মোঃ মোনায়েম
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ১২০ ডিআইটি এভিনিউ ,আলম টাওয়ার (৮ম তলা), ঢাকা-১০০০
 ই-মেইল: dainikrupayan@gmail.com
ওয়েবসাইট: www.dainikrupayan.com

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক রুপায়ণ